1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে আড়াই কোটি টাকার মানিলন্ডারিং মামলা - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
হাদি হত্যাকাণ্ডে অস্ত্র ব্যবসায়ী হেলাল তিন দিনের রিমান্ডে এপ্রিল নয় মে মাসেও জ্বালানি তেলে কোনো সংকট থাকবে না অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মব সহিংসতায় প্রশ্রয় ছিল : ডা. জাহেদ উর রহমান নতুন শ্রমবাজার খুঁজছে সরকার, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে চুক্তির উদ্যোগ বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনার ২২ সদস্যের স্কোয়াড প্রায় চূড়ান্ত ঘোষণা আনুষ্ঠানিকভাবে পাঁচ আরব দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি ইরানের হারাম উপার্জনে ইবাদত কবুল হয় না ইসলামের স্পষ্ট নির্দেশ পহেলা বৈশাখে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা হরমুজ প্রণালিতে আটকে থাকা বাংলাদেশি জাহাজ নিয়ে ইরানের বার্তা

যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে আড়াই কোটি টাকার মানিলন্ডারিং মামলা করল সিআইডি

  • সর্বশেষ আপডেট: শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬
  • ১০৪ বার পঠিত
মানিলন্ডারিং মামলা

রাজধানীর পল্লবী এলাকায় প্রভাব খাটিয়ে চাঁদাবাজি ও প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে যুবলীগ নেতা ও সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. তাজুল ইসলাম চৌধুরী ওরফে বাপ্পির বিরুদ্ধে প্রায় আড়াই কোটি টাকার মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা করেছে Criminal Investigation Department (CID)।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন খান জানান, পরিবহন খাত, ফুটপাতের অস্থায়ী বাজার, গার্মেন্টসের ঝুট কাপড় এবং ডিশ ও ইন্টারনেট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি ও প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তাজুল ইসলাম চৌধুরী ওরফে বাপ্পিসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৬-৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

গত ৫ মার্চ পল্লবী থানায় এই মামলাটি করা হয়। এতে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধনী-২০১৫)-এর ৪(২)/৪(৪) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

সিআইডির তদন্তে জানা যায়, রাজধানীর পল্লবী–মিরপুর এলাকায় প্রভাবশালী যুবলীগ নেতা হিসেবে পরিচিত তাজুল ইসলাম নিজেকে “স্মার্ট ফ্যাশন” নামে একটি পোশাক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক এবং বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত “মেসার্স চৌধুরী অ্যান্ড খান অটোব্রিকস” নামে একটি ইটভাটার মালিক হিসেবে পরিচয় দিয়ে আসছিলেন।

অনুসন্ধান অনুযায়ী, ২০১৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময়ের মধ্যে তিনি মোট ৩ কোটি ৮৩ লাখ ৬৫ হাজার ৩৫৫ টাকা আয় করেছেন বলে দাবি করেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী পোশাক ব্যবসা, মাছের ব্যবসা ও ইটভাটা পরিচালনার মাধ্যমেই এই আয় হয়েছে। একই সময়ে তিনি পারিবারিক ব্যয় দেখিয়েছেন ১ কোটি ১১ লাখ ৮৩ হাজার ২৭০ টাকা। ফলে সম্ভাব্য সঞ্চয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২ কোটি ৭১ লাখ ৭৩ হাজার ৮৫ টাকা।

কিন্তু সিআইডির অনুসন্ধানে দেখা যায়, তার নামে থাকা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের মোট মূল্য প্রায় ৪ কোটি ২৭ লাখ ২২ হাজার ৪৭১ টাকা। ফলে ঘোষিত আয় ও প্রকৃত সম্পদের হিসাবে প্রায় ১ কোটি ৫৫ লাখ ৪৯ হাজার ৩৮৬ টাকার উৎস তিনি দেখাতে পারেননি।

এছাড়া তদন্তে আরও জানা যায়, বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে অবস্থিত তার মালিকানাধীন ইটভাটাটি নিষিদ্ধ এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে, যা ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ অনুযায়ী অবৈধ।

এ কারণে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর পরিবেশ অধিদপ্তর ভাটাটির কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেয়। পরে ২০২৫ সালের ৩০ জানুয়ারি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এক লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়। তবুও ওই ইটভাটা থেকে প্রায় ৪৮ লাখ ৪৮ হাজার টাকা আয় দেখানো হয়েছে, যা অবৈধ উৎসের বলে ধারণা করছে সিআইডি।

অনুসন্ধানে আরও উঠে এসেছে, পল্লবী থানাধীন উত্তর সেনপাড়া এলাকায় জমি কেনার সময় দলিলে প্রকৃত মূল্য গোপন করা হয়েছে। দলিলে জমির মূল্য ৫ লাখ ৬৫ হাজার টাকা উল্লেখ করা হলেও প্রকৃত মূল্য ছিল প্রায় ৫৩ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ৪৮ লাখ টাকার উৎস গোপনের প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা।

সব মিলিয়ে সিআইডির অনুসন্ধানে প্রায় ২ কোটি ৫১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৫১ টাকা অবৈধভাবে অর্জন, স্থানান্তর ও রূপান্তরের তথ্য পাওয়া গেছে।

এছাড়া অভিযুক্ত ব্যক্তির বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে মোট লেনদেনের পরিমাণ ৫৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকারও বেশি বলে জানিয়েছে সিআইডি। বর্তমানে এসব হিসাবের মধ্যে প্রায় ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৪৭১ টাকা আদালতের নির্দেশে জব্দ রয়েছে।

তদন্তে আরও জানা গেছে, তার দুটি প্রতিষ্ঠানের ২০২৩ ও ২০২৪ সালের অডিট রিপোর্ট জাল। কারণ অডিট রিপোর্ট প্রস্তুতকারী চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট এস. এম. জাকারিয়া করোনা মহামারির সময়ই মারা গেছেন। অথচ তার নাম ব্যবহার করে অডিট রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে সিআইডি।

সিআইডি জানিয়েছে, অর্থপাচার ও আর্থিক অপরাধ দমনে সংস্থাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে তাদের তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..